Kurulus Osman

কুরুলুস উসমান ১৩৬

Review of Kurulus Osman 136 in Bangla

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় কুরুলুস প্রেমী ভাই ও বোনেরা। আশাকরি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আজ আমরা ১৩৫ ভলিউমের বেশ কয়েকটি অংশ নিয়ে আলোচনা করব।

১. গুপ্ত হামলায় লুট হওয়া গুপ্তধন পুনরায় উদ্ধারঃ আমরা গত ভলিউম অর্থাৎ ১৩৪ ভলিউমের শেষ দিকে দেখতে পেছিলাম যে, উসমান বে ইয়াকুপ বে’র প্রতি আনুগত্য অঙ্গীকার করেন। ভলিউম ১৩৫ এ দেখতে পাই, আনুগত্য অঙ্গীকার করার পরপরই উসমান বে’র কাছে ইয়েনিশেহির থেকে খবর যায় যে, ইয়েনিশেহিরে গুপ্ত হামলা হয়েছে। তারপর উসমান বে ইয়েনিশেহির প্রাসাদে আসেন।

আাসার পর জানতে পারেন বোরান আল্প গুরুতর আহত হন এবং কোষাগারের সমস্ত ধন-সম্পদ চুরি করে নিয়ে যায় হামলাকারীরা। তারপর হামলাকারীদের চিহ্ন অনুসরণ করে তাদের খুঁজার জন্য উরহান বেকে নির্দেশ দেন, উসমান বে। আর প্রাসাদের প্রমাণ খু্ঁজার জন্য নির্দেশ দেন কুনুর বেকে। বোরান আল্প এতোটাই গুরুতর আহত যে, পরের দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকবে কিনা তা নিশ্চিত নই। এদিকে উরহান বে হামলাকারীদের চিহ্ন বাইন্দার বের তাবুতে নিয়ে যাই। বাইন্দার বে’র তাবুতেই প্রাসাদ থেকে চুরি হওয়া স্বর্ণমুদ্রাগুলো পাওয়া যাই এবং প্রাসাদে তা ফিরিয়ে আনে।

২. গুপ্ত হামলা ও গুপ্তধন চুরির সাথে বাইন্দার বে’র সম্পৃক্ততাঃ উরহান বে গুপ্তধন ফিরিয়ে নিয়ে আসার পর বিস্তারিত সবকিছু উসমান বেকে জানান। কারণ বাইন্দার বে এই গুপ্ত হামলায় জড়িত। তার বাসগৃহেই স্বর্ণমুদ্রা পাওয়া যাই। কুনুর বেও বাইন্দার বে’র কক্ষে চুরি হয়ে যাওয়া সেই মুদ্রা পান। কিন্তু উসমান বে কোন ভাবেই তা বিশ্বাস করেননি। তিনি আলাউদ্দিন বেকে নির্দেশ দেন যে, হামলাকারীদের মধ্যে মৃত্যু বরণ করা লাশ গুলোর পরিচয় শনাক্ত করার জন্য।

আর এদিকে বাইন্দার বে’র বিরুদ্ধে সকল প্রমাণ ও সাক্ষী থাকায় আদালত চুরি ও বোরান আল্পকে আহত করার অভিযোগে তার মৃত্যুদণ্ড রায় হয় এবং বিচারক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করারও নির্দেশ দেন। আলাউদ্দিন বেও তার বুদ্ধিমত্তার সাথে হামলাকারীদের মৃতদেহ ক্রুসেডদের চিহ্ন দেখে প্রমাণ করেন যে,বাইন্দার বে এই হামলার সাথে সংযুক্ত নই এবং তিনি নির্দোষ।

৩. মঙ্গলবাহিনী আগম ও ৭০,০০০ স্বর্ণমুদ্রা কর দাবিঃ গার্মিয়ান সীমান্তবর্তী বাজারে সন্ধার ভোজে যখন উসমান বে ইয়াকুপ বে’র আনুগত্য অঙ্গীকার করেন, ঠিক তখনি মঙ্গলবাহিনীর একজন দূত আসে। যে কিনা ইলখানিদ রাজ্যে ওলজাইতু খানের বার্তাবাহক। ঐ বার্তাবাহক এসে বার্ষিক কর ৫০,০০০ দিরহাম ও উসমান বে তাদের সাথে রক্তপাত করাই ২০,০০০ দিরহাম জরিমানা দাবি করে।

বার্তবাহক দুই দিনের সময় দিয়ে চলে যান।তারপর ইয়াকুপ বে, ২০,০০০ জরিমানা ও ৫০,০০০ দিরহাম কর উসমান বেকে দেওয়ার নির্দেশ দেন। উসমান বেও দিতে রাজি হয়ে যান। কিন্তু এই ভাবে আর কত দিন চলবে?
সারাজীবনই কোনিয়া মঙ্গলদের কর দিয়ে যাবে? এক্যবদ্ধ হয়ে মঙ্গলদের প্রতিহত করার পরামর্শ দেন উসমান বে। তারপর উসমান বে মঙ্গলবাহিনীর ঘাটিতে স্বার্ণমুদ্র নিয়ে যায়। কিন্তু মঙ্গল কমান্ডার আকজালাসোন উসমান বেকে আটক করার চেষ্টা করে।

৪. আলাউদ্দিন বে ও গঞ্জা হাতুনঃ গঞ্জা হাতুনের মা সাদেত হাতুন বুঝতে পারেন যে, আলাউদ্দিন বে ও গঞ্জা হাতুন একে অপরকে পছন্দ করে। কিন্তু সাদেত হাতুন আলাউদ্দিন বে’র দূর্বলতাকে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করতে চাই। তাই গঞ্জা হাতুন কে নির্দেশ দেন যে, আলাউদ্দিন বে’র সাথে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করার জন্য। এতটাই গভীর সম্পর্ক তৈরি করতে হবে যাতে গঞ্জা হাতুনের কথা মতো আলাউদ্দিন বে চলে। গঞ্জা হাতুনের মিথ্যা সম্পর্ক করার ইচ্ছা না থাকার পরও মায়ের আদেশে রাজি হয়ে যায়। সোগুতে গিয়ে বালা হাতুনের মন জয় করার জন্য গঞ্জা হাতুনকে নির্দেশ দেন সাদেত হাতুন। গঞ্জা হাতুন সোগুতে যাই। বালা হাতুনের মন জয় করার জন্য যা করার তা চেষ্টা করে। more

৫. সোগুতে গুপ্ত হামলাঃ এই হামলার মূল কারণ হল সোগুতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা। উস্তাদ গেরা অর্থাৎ ছদ্মবেশী আয়হান আগা ও ভ্যাসিলিস ছদ্মবেশী ফয়সাল বে এর পরামর্শে ছদ্মবেশী হাসান আগাকে নির্দেশ দেওয়া হয় যাতে তারা সোগুতে আক্রমণ এবং সোগুতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। উাস্তাদ গেরার নির্দেশ অনুসারে ছদ্মবেশী হাসান আগা ও তাদের সৈন্য নিয়ে সোগুতে আক্রমণ করেন। more

কুরুলুস উসমান ১৩৬

Server-1

Server-2

Server-3

Ok, LINK

Telegram Link

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button