Kurulus Osman

কুরুলুস উসমান ১৩৪ বাংলা সাবটাইটেল

Review Kurulus Osman 134 Bangla Subtitles

কুরুলুস উসমান ১৩৪ বাংলা সাবটাইটেল

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় কুরুলুস প্রেমী ভাই ও বোনেরা। আশাকরি একসপ্তাহ বিরতির পরে আবারো কুরুলুস ওসমান এর নতুন পর্ব দেখতে পেরে খুশি হয়েছেন। আমরা আজকে গত পর্বের বিশেষ কিছু ঘটনা নিয়ে আলোচনা করবো।। প্রথমে আলোচনা করবো ওসমান বে এবং ইয়াকুব বের মধ্যে চলমান স্নায়ুযুদ্ধ নিয়ে।


এটা মূলত সিংহাসন দখলের উদ্দেশ্য তৈরি হওয়া বিভাজন। এই ক্ষেত্রে ইয়াকুব বে নিজের সৈন্য ঘোড়া এবং বসতির শক্তির উপর ভিত্তি করে নিজেকে শ্রেষ্ঠ এবং সুলতান হওয়ার একমাত্র যোগ্য বলে মনে করে৷ অন্য দিকে ওসমান বে জানে যদি ইয়াকুব বে সুলতান হয় তবে সীমান্ত এলাকায় তার দ্বীনের খেদমতের কাজ করা আরো কঠিন হবে। তার দিক থেকে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিবে৷ তার সাথে যুদ্ধ করতে অন্য বসতীর বেগন আল্প বা সৈন্য দিতে চাইবে না। তাই সে চায় সুলতান এমন কেউ হোক যে তার পক্ষে কাজ করবে।

অথবা সে নিজেই সুলতানের আসনে বসবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো ওসমান বের এখনো সেই পরিমান সৈন্য ঘোড়া এবং স্বর্ণমুদ্রা হয় নাই যেটা দিয়ে সে চাইলেই সুলতান হতে পারবে। তাই ওসমান বে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব দেখানোর জন্য জিহাদের পথে অবিচল থাকতে থাকে। কিন্তু ইয়াকুব বের আনুগত্য মেনে না নেয়ার কারনে ইয়াকুব বে পিছন থেকে ওসমান বের সন্মান হানী করার আপ্রান চেষ্টা করে যেতে থাকে৷ এভাবে দুইজনের মধ্যে একটা তুমুল উত্তেজনামূলক স্নায়ুযুদ্ধ চলতে থাকে।

২য় আলোচনা করবো ওরহান বে এবং হোলোফিরাকে নিয়ে। মূলত হোলোফিরার একজন টেকফুরের কন্যা৷ সে একটা কাফেলা নিয়ে যাওয়ার সময় পতাকাবাহী দলটির সদস্যরা ওরহান বের শক্তি ও কৌশলের পরিক্ষা নেয়ার জন্য তাকে ওই কাফেলায় হামলা করতে বলে। ওরহান বে তার কৌশল ও শক্তি প্রয়োগ করে কাফেলার সবাইকে হত্যা করে। শেষে যখন পালকির দরজা খুলে তখন হলোফিয়াকে দেখতে পায়৷। হলোফিয়াকে এর আগেও একবার পথ ভুলে কায়ী বসতিতে এসেছিল।

তখন থেকেই ওরহান বের মনে হলোফিয়ার জন্য আলাদা ভালোলাগা কাজ করতে থাকে। এবার যখন নতুন করে ওরহান বে আবার তাকে হাতের নাগালে পেল তারপর তাকে ইনেশিহারে নিয়ে আসলো৷। ওরহান বে হলোফিয়ার প্রেমে আসক্ত হয়ে পড়েছে। এদিকে টেকফুর কন্যা হোলোফিরা ও ওরহান বের প্রতি ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। যদিও সে বাহ্যিক ভাবে নিজেকে শক্ত প্রমান করে যাচ্ছে।। আসল বিষয় হলো দুইটি ভিন্নধর্মী বস্তু পরষ্পরকে আকর্ষণ করে।

আর সেই কারনেই তারা একে অপের কাছে আসতে চাইছে৷ ওরহান বের সাথে পালিয়ে ইনেশিহারের বাহিরে চলে যাওয়া এবং ওরহান বেকে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করা এই সকল বিষয় শুধু নিজেদের মধ্যেকার প্রেমের সম্পর্ককে আরে মজবুত করে। মূলত হোলোফিরার একজন টেকফুরের কন্যা হওয়ার কারনে তার ভিতরে কিছুটা জেদ এবং অনমনীয় ভাব পরিলক্ষিত হয়। এই সকল কারনে মালহুন হাতুন হলোফিয়াকে অপছন্দ করে। যদিও শেষ পর্যন্ত ওরহান বের প্রেমের সামনে এই বাঁধার দেয়াল কোন প্রতিরোধ করতে পারবে বলে মনে হচ্ছে না। ৩য় বিষয় সীমান্ত বাজার প্রতিষ্ঠা এবং চেরকুতাই আল্পকে প্রধান হিসাবে নিযুক্ত করা।


ইয়াকুব বে ওসমান বেকে পরাজিত করতে সীমান্ত এলাকায় নতুন বাজার তৈরি করে। এতো বিশাল বাজার ওসমান বের নাই। এটা তৈরি করা হয়েছে যাতে সোগুত এবং মারমারাজিক দূর্গ থেকেও বড় বাজার হবে এই সীমান্ত বাজার। এতে করে রোমান এবং বাইজেন্টাইন সম্রাটরা তাদের কাফেলা এখানে পাঠাবে এবং ওসমান বের কদর কমতে থাকবে। এই পরিকল্পনা করে বাজার উদ্ভোদন করেন ইয়াকুব বে। আরো একটি বিষয়ে চমক তৈরি করে ইয়াকুব বে। বাজারের প্রধান হিসাবরক্ষক করা হয় ওসমান বের সাবেক আল্প চেরকুতাই কে৷

যাকে বন্দীদশা থেকে মুক্ত করে আনেন ইয়াকুব বে। চেরকুতাই বেকে স্বাধীন অবস্থায় ছেড়ে দেয় কিন্তু সে নিজে এসে তার পরিবার নিয়ে ইনেশিহার থেকে বের হয়ে চলে যায়। ওসমান বেকে সে দোষ চাপিয়ে বলে যে কেন তাকে খোজা হয় নাই? কেন তার জন্য লোক পাঠালো না? এর জবাবে ওসমান বে তাকে যতই সান্তনা দিতে থাকে সে ততই তার রাগ নিক্ষেপ করতে থাকে। এক পর্যায়ে ওসমান বে তাকে বের হয়ে চলে যেতে বলে। এই দৃশ্যটি ছিল খুবই বেদনাদায়ক।


ওসমান বে তাকে একটি বাড়ি দিতে চেয়েছিলেন। তবে সে তার অভিমানে এসব গ্রহন না করে চলে যায়।
এভাবে সম্পূর্ণরূপে ওসমান বের সন্মান নষ্ট করতে উঠে পড়ে লগে ইয়াকুব বে এবং তার সাথে থাকা অন্য বেগন। এই সীমান্ত বাজারে ওসমান বের জন্য ছোট একটা জায়গা রাখা হয়েছে। তাদের কার্পেট গুলো সেখানে বিক্রি শুরু করলে ইয়াকুব বের স্ত্রী একটি কার্পেট ক্রয় করে। এরপর সেই কার্পেট তার তাবুর বাহিরের সিড়িতে বিছানো হয়। এটাতে চরম পর্যায়ে অপমানিত করা হয় কায়ী বসতিকে। আর এই অপমানের বদলা নেওয়ার জন্য মালহুন হাতুন সুযোগের অপেক্ষায় আছে।


৪র্থ বিষয় হলো আলাউদ্দিন বে এবং গোনজা হাতুন সফর শেষ করে ফিরে আসা।
ওসমান বের ছোট পুত্র আলাউদ্দিন বে সুলতান মাসুদ এর কাছে থেকে ধনভাণ্ডারের মানচিত্র নিয়ে ফিরে আসে। অপর দিকে ইয়াকুব বের কন্যা গোনজা হাতুন সুলতান মাসুদ এর থেকে সীলমোহর চুরি করে সেটা দিয়ে ফরমানের উপর জাল সাক্ষর নিয়ে ফিরে আসে৷ উভয়েই তাদের বাবার কাছে তাদের দায়িত্ব এবং নথি হস্তান্তর করে।

এতে করে তাদের বাবারা তাদের উপর সন্তুষ্ট হন। ওসমান বের ছোট পুত্র আলাউদ্দিন বে ইনেশিহারে ফিরে আসার পথে তার মা বালা হাতুন কে দেখতে যায়। তার মা তাকে ইয়াকুব বে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু তথ্য দেয়। আর গোনজা হাতুন আলাউদ্দিন বের পিছনে গোয়েন্দা গিরি করতে থাকে৷ কারন আলাউদ্দিন বের বুদ্ধির কাছে সে সব সময় পরাজিত হতে থাকে৷ more

আলাউদ্দিন বে যখন সীমান্ত বাজার থেকে ইয়াকুব বের পিছু নেয় তখন গোনজা হাতুন আলাউদ্দিন বের পথ রোধ করে এবং তার বাবাকে নিরাপদ দুরত্বে চলে যাওয়ার সুযোগ দেয়। ইয়াকুব বে তখন লেকফ দূর্গে প্রবেশ করে এবং সেটা জয় করে নেয়। অথচ এই দুর্গ জয় করার জন্য ওসমান বে বিভিন্ন পরিকল্পনা করে। সেনা ঘাটি তৈরি করে। এভাবে ইয়াকুব বে ওসমান বের সকল কাজে বাঁধা দিয়ে তার সন্মান কে ছোট করতে থাকে। আগামী পর্বে আমরা ওসমান বের পরিবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে পারবো। আগামী পর্ব দেখার আমন্ত্রণ জানিয়ে আজকের মতো এখানেই শেষ করছি আল্লাহ হাফেজ।

কুরুলুস উসমান ১৩৪ বাংলা সাবটাইটেল

Server-1

Server-2

Server-3 with ads

Watch more

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button