Kurulus Osman

কুরুলুস উসমান এপিসোড ১৪০ বাংলা সাবটাইটেল

Kurulus Osman Episode 140 in Bangla

আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় দর্শক শ্রোতা ভাই ও বোনেরা। আশা করি গত পর্বটি আপনাদের কাছে খুবই আকর্ষণীয় লেগেছে। আজকে আমরা আলোচনা করবো আগামী পর্বে কি হতে চলেছে এবং গত পর্বের বিশেষ কিছু কাহিনি নিয়ে। চলুন শুরু করি।

প্রথমেই আসতে চাই মোঙ্গল কমান্ডারের মৃত্যুর পরে এখন কি হবে?
ওসমান বে গত পর্বে মোঙ্গল কমান্ডার কে হত্যা করেছে। ওসমান বে যখন স্বর্ণমুদ্রা দিয়ে আসতে মোঙ্গল কমান্ডারের কাছে তখন ওসমানবেকে আটকিয়ে রাখতে চেষ্টা করে মোঙ্গল কমান্ডার। ওসমান বে তখন মোঙ্গল বাহিনীকে হত্যা করে দ্রুত সেখাম থেকে পালিয়ে চলে আসে। পালিয়ে আসার চেষ্টা করার কারনে মোঙ্গল বাহিনী ওসমান বের পিছনে আসতে থাকে। এভাবে মোঙ্গল বাহিনী ওসমান বের ঘুব কাছে চলে আসে। ওসমান বের ৩জন আল্প গুরুতর জখম হওয়ার কারনে তাদের চিকিৎসা শুরু করা হয়।

তখন মোঙ্গল বাহিনীর ছোট একটি অনুসন্ধানী দল ওসমান বে এবং তার আল্পদের দেখে৷ তখন ওসমান বে তাদের হত্যা করে ফেলে। অতপর ওসমান বে একটি গুহায় আশ্রয় নেয়। সেখানে রাত কাটায়। পরবর্তী দিন খুব সকালে নতুন পরিকল্পনা করে মোঙ্গল বাহিনীর ঘাঁটিত আসে। ওসমান বে মৃত্যুর অভিনয় করে। তার আল্পরা সবাই মোঙ্গল বাহিনীর পোশাক পরিধান করে আসে। ওসমান বের পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘাটিতে প্রবেশের পরে মোঙ্গল বাহিনীর কমান্ডারকে খবর দেয়া হয়।

যখন ওসমান কে দেখতে কমান্ডার আসে তখন তার গলায় ছুরি চালায় ওসমান বে। এরপর বারুদ বিস্ফোরণ করে৷ তারপর সকল মোঙ্গল সৈন্যদের হত্যা করে। ঘাঁটি থেকে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস গনিমত হিসাবে নিয়ে যায়। এখন দেখার বিষয় এই মোঙ্গল কমান্ডারকে হত্যার জন্য ওসমান বে সামনে কি ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন। মোঙ্গল কমান্ডার হত্যার কথা যখন কোনিয়া পৌছাবে তখন সেখানে থেকে আবার নতুন কে আসে সেটাই এখন দেখার বিষয়।

ইয়াকুব বের দাদাগিরি -সোগুতে হামলার পরে ইয়াকুব বে এবং তার স্ত্রী ইনেশিহারে আসে। সোগুতে তাদের মেয়ে গোনজা হাতুন ও ছিল। বালা হাতুন ও আলাউদ্দিন বের সাথে গোনজা ও তরবারী চালায়। সোগুতে হামলার খবর শুনে মেহমেদ বেকে গোনজা কে নিয়ে আসার জন্য পাঠায় ইয়াকুব বে। ইয়াকুব বে ইনেশিহারে ফিরে নিজের ক্ষমতা দেখাতে শুরু করে। যেটা ওসমান বের বসতি কিন্তু সে সুলতান সব কিছু নিজের দাবি করে।।।।

এরপর ইয়াকুব বে দিওয়ান ডাকে। সেই সভায় ওরহান বে ইয়াকুব বের বিরুদ্ধে কথা বলেন। এতে ইয়াকুব বে ওরহান বের বিপরিতে যুদ্ধের সেনাপতি তার ছেলে মেহমেদ কে মনোনিত করে। ওরহান বে তখন চুপ থাকে। এদিকে পরের দিন সকল সীমান্ত এলাকার বেদের সভা হবে। তাই সুলতান হিসাবে ইনেশিহারে ইয়াকুব বের বসতীর পতাকা লাগাতে শুরু করে। বোরান আল্প এই কাজের প্রতিবাদ করে। তখন ইয়াকুব বে বোরান বেকে থামতে বলে। বোরান বে এবং বাইন্দার বে কোন কথা না বলে ইয়াকুব আদেশ মেনে নেয়৷ কারন তাদের এখন কিছুই করার নেই। ওসমান বে যেহেতু অনুপস্থিত।তাই তারা কোন পদক্ষেপ নিতে পারছে না। MORE

একই সমস্যায় পড়েছে ওসমান বের স্ত্রী মালহুন হাতুন। ইনেশিহারের প্রাসাদের রান্না ঘরে ঢুকে বিভিন্ন কাজে হস্তক্ষেপ করছিল ইয়াকুব বের স্ত্রী। মালহুন হাতুন এটার প্রতিবাদ করে। এভাবে ওসমান বের বাস ভবনে ইয়াকুব বের দাদাগিরি চলতে থাকে। পরের দিন ইনেশিহারের সামনে খোলা জাগায় দিওয়ানের সভা শুরু হয়। সকল বেরা সেখানে আগমন করে। এমন সময় ওসমান বে মোঙ্গল কমান্ডারের কাটা মাথা নিয়ে হাজির হয়। হঠাৎ এই অবস্থা দেখে ওসমান বে চমকে যায়।

এর কারন জানতে চাইলে ইয়াকুব বে উত্তর দেয় তারা যুদ্ধের জন্য বাহিনী সংগ্রহ করতে এই দিওয়ান ডাকা হয়েছে। এমন সময় ওসমান বে তার হাতে থাকা মোঙ্গল কমান্ডারের মাথা সকলের সামনে ছুড়ে ফেলে৷। তারপর বলে আচ্ছা তাহলে যুদ্ধের জন্য যেহেতু সবাই একত্রিত হয়েছেন। এই নেন তাহলে যুদ্ধ শুরু করুন৷ ইয়াকুব বে মোঙ্গল কমান্ডারের কাটা মাথা দেখে খুবই ভয় পায়ে যান। এখন কি হবে সেটা নিয়ে ইয়াকুব বে খুবই চিন্তিত হয়ে পড়ে।

মেহমেদ এবং ওরহান বে বন্দী: ইনেশিহারে লুকিয়ে থাকা হাসান আল্প মূলত একজন গুপ্তচর। সে ওস্তাদ গেরার এর অনুগত। সে ইনেশিহারে প্রাসাদে ঘটা সকল কিছু বাহিরে টেকফুরদের কাছে খবর পাঠিয়ে দিত। ঠিক তেমনি যখন ইয়াকুব বে কেস্টেল দূর্গে অভিযান চালানোর জন্য সেনাবাহিনী প্রেরন করল সেই খবর আগেই তারা জেনে গেল। কারন হাসান আল্প নামক টেকফুর ভ্যালেন্স আগেই ওস্তাদ গেরার কাছে খবর পাঠিয়ে দেয়।

ওস্তাদ গেরা কেস্টেল দূর্গের টেকফুরকে জানিয়ে দেয়। মেহমেদ এবং ওরহান বের বাহিনীর জন্য তারা একটি ফাঁদ তৈরি করে। তারা সেনাঘাটি থেকে সৈন্য সরিয়ে রাখে। অতপর যখন মেহমেদ ও ওরহান বের বাহিনী আক্রমণ করে তারা ফাঁদে পড়ে যায়। এভাবে ওরহান বে এবং মেহমেদ বেকে তারা বন্দী করে৷ আর এভাবেই গুপ্তচরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী তারা সাময়িক ভাবে জয়ী হয়ে যায়।

এখন আগামী পর্বে দেখতে হবে কিভাবে ইয়াকুব বে এবং ওসমান বে তাদের ছেলেদের মুক্ত করে নেয়। ওসমান বে এই অভিযানের কথা জানতো না। তাই সামনের পর্বে চোখ রাখতে হবে ওসমান বের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে। হলোফিয়া আবার সীমান্ত বাজারে ব্যবসার উদ্দেশ্য এসেছে। সে মেহমেদ বের সাথে চলাফেরা করছে এবং তার সাথে বিভিন্ন কথা বলছে।

এটা দেখে ওরহান বের হৃদয়ে রক্তখরন শুরু হয়েছে। ওরহান বেকে মালহুন হাতুন বুঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। ওরহান বে সরাসরি হলোফেরা কে প্রশ্ন করে কেন সে মেহমেদ বের সাথে মিশিতেছে। একথার জবাবে হলোফেরা বলে এটা তার ইচ্ছে এবং সে এই প্রশ্নের জবাব দিতে আগ্রহী না।

আসলে একজন প্রেমিকের মনের কষ্ট বাহির থেকে বোঝা যায় না। ওরহান খুব কষ্ট নিয়ে সেখান থেকে চলে আসলেন। হলোফেরা কে ওরহান বে সরাসরি জানিয়ে দেয় যে সে তারে ভালোবাসে। তারপরও হলোফেরি ওরহান বের প্রেমে রাজি হচ্ছে না। মূলত এই রহস্য আগামী পর্বে আরো কতটা গাঢ় হয় সেটাই এখন দেখার অপেক্ষায় থাকবে সকল দর্শকরা৷

Server-1

Server-2

Server-3 with ads

Watch more

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button