Kurulus Osman

কুরুলুস উসমান ১৩৫ বাংলা সাবটাইটেল

Kurulus Osman Episode 135 Bangla Subtitles

রিভিউ:

আসসালামু আলাইকুম, প্রিয় দর্শক শ্রোতা ভাই এবং বোনেরা। আশাকরি সকলে সুস্থ আছেন। আজ আমরা কথা বলবো কুরুলুস ওসমান সিজন ৫এর ১৩৪ নং পর্ব নিয়ে। আমরা আরো কথা বলবো আগামী পর্বে কি হতে চলেছে সেই বিষয়ে। প্রথমে গত পর্বের বিশেষ কিছু বিষয়ে আলোচনা করবো।।


ওসমান বের বিশ্বস্ত সহযোগী বোরান আল্প ইনেশিহারে টেকফুর ভ্যাসেলস এর গুপ্তচরের হাতে খুন হয় এটা দর্শকদের ব্যাথিত করেছে। মূলত নতুন ব্যাবসায়ী আগার রূপে নতুন পরিকল্পনা নিয়ে টেকফুর কমান্ডার সোগুতে এসেছে। সীমান্ত বাজারে তার দোকান কেনা এবং সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের রাজত্ব পুনরুদ্ধার করতে এসেছে। ওসমান বের সাথে সে গোপন খেলা শুরু করেছে৷ আর সেই গোপন হত্যার প্রথম শিকার বোরান আল্প।

সে একে একে ওসমান বের পাশে থেকে সবাইকে সরিয়ে দিতে চায়। আর সেই জন্য ব্যবসায়ীর রূপে ইনেশিহারে ওসমান বের ভূখণ্ডে এসেছে। ওসমান বের সাথে তার দেখা হয় রাস্তার মধ্যে। ওসমান বে যখন সীমান্ত বাজার এলাকা থেকে ফিরে আসছিল তখন তাদের কাফেলার সাথে ওসমান বের দেখা হয়। অতপর কাফেলার উপর নাইটদের পোশাক পরিহিত একদল সৈনিক আক্রমণ করে। সেই আক্রমণ প্রতিহত করে দেয় ওসমান বের ছোট বাহিনী। এভাবে তাদের সাথে ওসমান বের দেখা হয়।

চেরকুতাই আল্প কে ইয়াকুব বে বাজারের প্রধান হিসাবে নিযুক্ত করেছে। এতে করে চেরকুতাই বে হয়ে গিয়েছে। ওসমান বের সুনাম নষ্ট করতে ইয়াকুব বে লেকফে দূর্গ তাকে দেওয়ার খবর বাজারে ছড়িয়ে দেয়। এই কাজে বাজারের প্রধান হিসাবে নিযুক্ত চেরকুতাই বে তাকে সহযোগিতা করে। অপর দিকে মালহুন হাতুন একটি বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করে ইয়াকুব বের স্ত্রীর অপমানের জবাব দেয়।

মালহুন হাতুন সীমান্ত এলাকায় যারা কার্পেট বানায় তাদেরকে খবর দেয়। তাদের কাছে বলা হয় ইয়াকুব বের বসতি থেকে কার্পেট কিনতে গেলে তারা যেন পুরাতন ও নষ্ট কার্পেট তাদের দিয়ে দেয়। আর সেই নষ্ট কার্পেট নিয়ে এসে ইয়াকুব বের স্ত্রীর মাথায় হাত উঠে। এভাবে মালহুন হাতুন তাকে অপমানের জাবাব দেয়।

এই অপমান সহ্য করতে না পেরে ইয়াকুব বের স্ত্রী মালহুন কে সায়েস্তা করতে কার্পেট বাহী ভ্যানের উপর হামলার পরিকল্পনা করে। মালহুন হাতুন বুঝতে পেরে আগেই মালবাহী ভ্যানগুলোর পথ পরিবর্তন করে দেয়। এইবারও হেরে যায় ইয়াকুব বের স্ত্রী। আর তাই সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে কিভাবে মালহুন হাতুন কে শায়েস্তা করা যায়।

ওরহান বের হাতে আহত ইয়াকুব বের পুত্র মেহমেদ বে। ওসমান বের পুত্র আলাউদ্দিন বে মেহমেদ বেকে বিভিন্ন ঔষধ প্রদান করে। যখন মেহমেদ বেকে গুরুতর জখম অবস্থায় বসতিতে আনা হয় তখন তাদের হেকিম বসতিতে ছিল না। যার কারনে মেহমেদ বের চিকিৎসা নিয়ে ইয়াকুব বে দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়।

তখন ইয়াকুব বের কন্যা গোনজে হাতুন আলাউদ্দিন বেকে নিয়ে আসে। প্রথমে ইয়াকুব বেও চাচ্ছিল না যে আলাউদ্দিন তাকে ঔষধ দিক। কিন্তু কোন উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে আলাউদ্দিন এর চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহন করতে হয়। আল্লাহর রহমতে যখন মেহমেদ বে চোখ খুলে তখন গোনজে হাতুন আলাউদ্দিন বেকে ধন্যবাদ জানায়৷ এভাবে উভয়ের মাঝে প্রেমের সম্পর্কটা আরো গভীর হয়।

ওসমান বে অবশেষে ইয়াকুব বের আনুগত্য স্বীকার করে নিয়েছে। এর নানা কারন ও সুবিধা নিতে চায় ওসমান বে৷ আগামী পর্বে হয়তো মঙ্গোলরা আসবে। তখন ওসমান বে কিভাবে সেটা মোকাবিলা করে এখন সেটাই দেখার অপেক্ষা। এছাড়া আগামী পর্বে নতুন ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে টেকফুর ভ্যালেন্স এবং তার সহযোগিরা। ইয়াকুব বের আনুগত্য স্বীকার করে ওসমান বে একদিকে কিছুটা ঝুঁকিমুক্ত।

হলোফিরা এবং ওরহান বের বিচ্ছেদ ওরহান বে যখন মেহমেদ বেকে পরাজিত করে তার থেকে স্বর্ন নিয়ে বসতিতে ফিরে আসে তখন মালহুম হাতুন হলোফিয়াকে ফিরে যেতে বলে। ওরহান তার কাছে কিছু বলতে গেলেও ওরহান বের মা মালহুন হাতুন তার কথা শুনলেন না। ওরহান বে হলোফিয়ার প্রেমে আসক্ত হয়ে পড়েছে। এদিকে টেকফুর কন্যা হোলোফিরা ও ওরহান বের প্রতি ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে।

যদিও সে বাহ্যিক ভাবে নিজেকে শক্ত প্রমান করে যাচ্ছে।। আসল বিষয় হলো দুইটি ভিন্নধর্মী বস্তু পরষ্পরকে আকর্ষণ করে। আর সেই কারনেই তারা একে অপের কাছে আসতে চাইছে৷ ওরহান বের সাথে পালিয়ে ইনেশিহারের বাহিরে চলে যাওয়া এবং ওরহান বেকে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করা এই সকল বিষয় শুধু নিজেদের মধ্যেকার প্রেমের সম্পর্ককে আরে মজবুত করে। মূলত হোলোফিরার একজন টেকফুরের কন্যা হওয়ার কারনে তার ভিতরে কিছুটা জেদ এবং অনমনীয় ভাব পরিলক্ষিত হয়।

এই সকল কারনে মালহুন হাতুন হলোফিয়াকে অপছন্দ করে। যদিও শেষ পর্যন্ত ওরহান বের প্রেমের সামনে এই বাঁধার দেয়াল কোন প্রতিরোধ করতে পারবে বলে মনে হচ্ছে না।ওরহান বের সাথে যখন হলোফিয়ার শেষ দেখা হয় সেটা ছিল করুন এবং কষ্টদায়ক। ওরহান হলোফিয়াকে তার মনে জায়গা দিয়ে ফেলেছে। একজন আশেক বুঝে ভালোবাসার ব্যাথা কতটা গভীর।

হলোফিয়ার বিষয় ওরহান বের যখন সব চেষ্টা ব্যর্থ হয় তখন সে নিজেকে সামলে নেয়ার চেষ্টা করে। এদিকে ওসমান বে তার কন্যা ফাতেমার কাছে জানিয়ে দেয় যে ওরহান এবং আলাউদ্দিন বেকে সে বিয়ে দিতে চায়। তখন ফাতেমা বলে যে ওরহান বের সাথে হলোফিয়ার সম্পর্কে রয়েছে। এবং আলাউদ্দিন বের সাথে গোনজা হাতুন এর প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে। এদিকে গোনজা হাতুন এর ভাই মেহমেদ বেকে ওরহান বে মেরে রেখে স্বর্ন নিয়ে চলে আসে।

ওরহান বে যখন ধনভাণ্ডারের স্বর্ন নিয়ে ইনেশিহারে প্রবেশ করে তার থেকে কিছু অংশ ওসমান বে সীমান্ত বাজারে বিলিয়ে দিতে বাইন্দার বেকে নির্দেশ দেন। বাইন্দার বে ওসমান বের কথা মতো সীমান্ত বাজারে গরিব মানুষের মধ্যে তাদের প্রয়োজন অনুসারে বিলিয়ে দেন। more

এতে করে বাজারে সবার মধ্যে ওসমান বের গ্রহনযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়। আবার অন্যদিকে ইয়াকুব বের সাথে সমানে সমান থাকতে এই কাজ করে ইয়াকুব বে। ইয়াকুব বে যাতে করে কায়ী বসতিকে কোন রকম খাটো করে দেখতে না পারে সেই জন্য এই উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য থেকে মুক্ত রাখতেও এই দান বিশেষ ভূমিকা রাখবে-লেখক- আব্দুল্লাহ ইবনে আজিজ

এপিসোড 135 দেখতে এখানে ক্লিক করুন

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button